ইপিএস স্পোর্টস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন (ইসো) ও দক্ষিণ কোরিয়ার ইসো কর্তৃক আয়োজিত ‌‘আনন্দ ভ্রমণ-২০১৯’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ৭ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশী প্রবাসীদের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ইপিএস স্পোর্টস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন (ইসো) ও দক্ষিণ কোরিয়ায় সর্বস্তরের বাংলাদেশী প্রবাসীদের জন্য গ্রীষ্মকালীন আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করে। 

দক্ষিণ কোরিয়ার খিয়ংগিদো প্রদেশের বিভিন্ন শহর আনসান, সেওয়া, ইনছন, সিউল, ফিওনথেক, খিম্পু, উইজুম্বু, নামিয়াং, ফারান, খোয়াংজু, পাজু, সংউরি, বিয়ংজম থেকে দশটি ট্যুরিস্ট বাসে প্রায় ৪৫০ জন এবং স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে আগত শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিগত যানবাহনে আগত আরও ৬৭ জন এ আনন্দ ভ্রমণে যুক্ত হয়ে ৫১৭ জনের বিশাল বহর প্রথমে নাকসান সমুদ্র সৈকতে মিলিত হয়। ইসো’র লোগো যুক্ত নীল টি-শার্টে গোটা সমুদ্র সৈকত নীলে ভরে উঠে। দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতবাসকে উক্ত আনন্দ ভ্রমণে আমন্ত্রণ জানানো হলে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ততার জন্য রাষ্ট্রদূত উপস্থিত হতে না পারলেও প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রথম সচিব (শ্রম) মকিমা বেগম এবং দূতাবাস কর্মকর্তা শেখ নিজামুল হক। তাদের উপস্থিতিতে নাকসান সমুদ্র সৈকতে সম্মিলিতভাবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইসো’র অফিসিয়াল স্পন্সর হানপাসের রেমিটেন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার স্বপন বাড়ৈ, বিজিএল শিপিং এর স্বত্বাধিকারী মনজুর এলাহী এবং এশিয়া মার্ট এর স্বত্বাধিকারী উইগিসানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি। পরবর্তীতে নাকসান সমুদ্র সৈকত থেকে স্থানীয় সময় বেলা একটার দিকে সু-বিশাল বহর ছকসো সমুদ্র সৈকতের দিকে যাত্রা শুরু করে। সেখানে দুপুরের খাবার সেরে নেওয়া হয়। খাবার শেষে সবাই মেতে উঠেন খেলাধুলা, সাগরে সাঁতার কাটা ও ঘুরাঘুরি ছবি তোলাসহ বিভিন্ন চিত্তবিনোদনে। পরে বিকাল পাঁচটায় ছকসো সমুদ্র সৈকত ত্যাগ করে বহর ছুটে চলে হাজেদো সমুদ্র সৈকতের দিকে। এখানে মনোরম নয়ন জুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ্রমণ পিপাসুদের ব্যাপকভাবে আকর্ষন করে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ভ্রমণ শেষে সবাই যার যার আপন গন্তব্যে ফিরতে শুরু করে।

ভ্রমণ সফল হওয়ায় সংগঠনের সভাপতি আল-আমিন মৃধা ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং অসাধারণ নেতৃত্বে প্রশংসা সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। সভাপতি মৃধা ভ্রমণে ছোটখাট ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি সার্বিক সফলতার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও ভালবাসা ব্যক্ত করেন। সেই সাথে ইসো’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল মোঘল এই আনন্দ ভ্রমণে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন সেই সাথে এই আনন্দ ভ্রমণের সফলতা দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্য উৎসর্গ করেন।