এই প্রথমবারের মত বাংলাদেশ তথা লিটল বাংলাদেশ কমিউনিটি কোরিয়ান ফেস্টিবলে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। যা কোরিয়ান কমিউনিটির সঙ্গে সেতু বন্ধনের একটি নতুন মাত্রা।
উল্লেখ্য, আগামী ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ চার দিন ব্যাপী উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহত্তর জাতিগত উৎসব ৪৬তম লস এঞ্জেলেস কোরিয়ান ফেস্টিবল হতে যাচ্ছে। এটি হবে কোরিয়া টাউনের সিউল ইন্টার ন্যাশনাল পার্কে।
প্রতিবছরের মত চারদিন ব্যাপী ফেস্টিবলে থাকছে, প্যারেড, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উক্ত ফেস্টিবলে সকল ইভেন্টেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব থাকছে এবছর। রামপাট নেবারহুড কাউন্সিলের কমিউনিটি ইন্টারেষ্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ কাজী মশহুরুল হুদার সমন্বয়ে প্যারেড, স্টল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি। বেঙ্গল আর্টিষ্ট সংগঠনের পক্ষে প্রগ্রাম কো অর্ডিনেটর আশরাফ আহমেদ পরিচালনা করবেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেখানে থাকবে উন্নত মানের বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবিমূলক নৃত্য, গান ও মূকাভিনয়। প্যারেড ও স্টলে প্রতিনিধিত্ব করবে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ক্যালিফোর্নিয়া চ্যাপ্টার।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রানা মাহমুদ জানান, তিনশ’ থেকে পাঁচশ’ মানুষের একটি প্যারেড বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধিত্বে গঠিত হবে এবং উক্ত প্যারেডের থিম থাকবে বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি ও ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, ফেস্টিবল কমিটিকতৃক প্রদত্ত স্টলে থাকবে বাংলাদেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির আলোকে ডেকোরেশন।
সমন্বয়কারী কাজী মশহুরুল হুদা বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা। তারই ফলশ্রুতিতে কোরিয়ান ফেস্টিবলে অংশগ্রহণ করছি। এর ফলে দু দেশের কমিউনিটির মধ্যে ভুলবোঝাবুঝির অবসান ঘটবে এবং সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নির্মাণ হবে। সেই সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সূচনা সৃষ্টি হবে।

আরও উল্লেখ্য যে, চার দিন ব্যাপী কোরিয়ান ফেস্টিবলে তিন থেকে চারশত হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় হবে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অংশগ্রহণ করবে প্যারেডে।
‘টুগেদার লস এঞ্জেলেস’ থিমকে সামনে রেখে কোরিয়ান কালচার, ইতিহাস, আর্ট ও কৃষ্টিকে তুলে ধরার প্রত্যয়ে এই ফেস্টিবল আয়োজন করে কোরিয়ান কমিউনিটি। সেই সাথে বহু সংস্কৃতির ধারণাকে উন্নতি করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে লস এঞ্জেলেস কোরিয়ান ফেস্টিবল। আর লিটল বাংলাদেশ কমিউনিটিকে অন্যান্য দেশের জাতিগত মিলনের পদক্ষেপের সূচনা হবে এই প্রচেষ্টা, এমনিটিই ধারণা করছেন কমিউনিটির মানুষ।
এ পদক্ষেপের পরবর্তী পরিকল্পনা রয়েছে ২০/২০ বাংলাদেশ কনর্সাটে।