‘সৌদি আরবে মৃত্যুবরণকারী প্রতিটি প্রবাসীর পরিবারকে ৩ লক্ষ টাকার স্থলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তারা ৫ লক্ষ পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছে। তাতে আমি রাজি হইনি। আমি চাই মৃত প্রবাসীর পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হোক।’ 

শুক্রবার রাতে রিয়াদে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ।তিনি বলেন, প্রবাসীদেরকে এটিএম মেশিনের মতো ব্যবহার করা হয়। বাবা ছেলের সকল টাকা-পয়সা আত্মসাত করে- এমন অভিযোগও আমাদের কাছে আসে। প্রবাসীদেরকে বীমা এবং পেনশন স্কীমের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সংগঠনটির ২০১৯-২০ সালের জন্য গঠিত কমিটির সভাপতি ব্যবসায়ী কাপতান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। সংগঠনের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সুমনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান মো. নজরুল ইসলাম। 

বিগত বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নতুন কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদ্য বিদায়ী সভাপতি আব্দুর রহমান চৌধুরী।

এসময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম মিলন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আ.ক.ম রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক মোহাম্মদ আবুল বশির, রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, গোলাম মহিউদ্দিন, এম আর মাহবুব, আব্দুল জলিল রাজা, নাজিম উদ্দিন, ঢাকা প্রবাসী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গাজী সাঈদ, সিলেট বিভাগ প্রবাসী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইব্রাহীম আলী, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা প্রকৌশলী রুকন ইবনে ফয়েজী, আব্বাস উদ্দিন, তজুম্মুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে রিয়াদ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।