তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ জুন) ঈদুল ফিতরের দিনে ইস্তাম্বুল থেকে প্রায় ৩০ কি.মি. দূরে পর্যটনকেন্দ্র পোলোনেজকয়তে দিনব্যাপী বর্ণিল এ পুনর্মিলনীতে যোগ দেয় শিক্ষার্থীসহ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি।

সকালে ব্লু মস্ক খ্যাত বিশ্ব সেরা সুলতান আহমেদ মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পর পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানস্থলে রওনা হন অংশগ্রহণকারী। দুটি বড় বাসে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে পুরো পথ জুড়ে এক উৎসবের স্মৃতি গড়ে তোলে। বসফরাস প্রণালী, পাহাড় ও গ্রামের আঁকাবাঁকা পথে সবুজ শ্যামল দৃশ্য এ যাত্রা আরও শৈল্পিক রূপ ধারণ করে।

Bangladeshi-Students1

দুপুরের আগেই গাড়ি পৌঁছে পার্কে। গাড়ি থেকে নামতে না নামতে খেলাপ্রেমীরা মাঠে ছুটে পড়ে। একদিকে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উত্তাপ অন্যদিকে দূর প্রবাসে খেলার আমেজ এ যেন একসূত্রে গেঁথে যায়। চারটি দলে বিভক্ত হয়ে শুরু হয় খেলা।

অন্যদিকে অভিজ্ঞ দেশীয় পদ্ধতিতে রকমারি খাবারের আয়োজন চলতে থাকে। অতঃপর সবাই দুপুরের খাবার গ্রহণ করে।

Bangladeshi-Students1

বিকাল গড়ানোর খানিক পূর্বেই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য, মিমার সিনান বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি অধ্যয়নরত আ.ব.ম নুরুল আবছারের সঞ্চালনায় বর্ণিল উৎসবের বাকি আয়োজন শুরু হয়।

এ পর্বে ছিল হাঁড়ি ভাঙা খেলা, মহিলাদের বালিশ খেলা, বাচ্চাদের বেলুন খেলা, বিবাহিত ও অবিবাহিতদের জনপ্রিয় দড়ি টানাটানি। এছাড়া উপস্থিত অভিনয়ের পাশাপাশি চলে ঈদ স্মৃতিচারণ।

Bangladeshi-Students1

বর্ণিল এ আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুমিন এবং সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক হেলালী।

রাতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট ইস্তাম্বুল আয়োজিত ঈদ উদযাপন অনুষ্ঠানে সবাই একযোগে অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে কনস্যাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান শেষে সবাই নৈশ্যভোজে অংশ নেন।