দুই নেতা একে অপরকে উন্মাদ, কীট অথবা পাগলা কুকুর বলে সম্বোধন করেছিলেন, তারাই শেষ পর্যন্ত সাক্ষাৎ করে পারস্পরিক বিষয়গুলো মিটিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যে আলোচনার আয়োজন করতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন।

তাদের সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক জল্পনা কল্পনার মধ্যে এখন নানা প্রশ্নও উঠছে। এই উচ্চ পর্যায়ের আর জটিল সাক্ষাত নিয়ে এখন ভীষণ ব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের অফিসের কর্মী আর উপদেষ্টারা।

দিনক্ষণ অবশ্য সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স। বরং কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে।

সারাহ স্যান্ডার্স বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ না দেখা পর্যন্ত এই আলোচনায় যোগ দিচ্ছেন না।

সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বলতে এখানে আসলে পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির বিষয়ে ইঙ্গিত করা হচ্ছে।

স্যান্ডার্স আরও বলেন যে, এর ফলে যদি উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করে, তা হবে খুবই বড় ব্যাপার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বের গুণেই এমনটা ঘটবে।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স মনে করছেন, উত্তর কোরিয়ার আলোচনায় বসতে চাওয়ায় এটাই প্রমাণ হল যে মার্কিন কৌশল কাজে দিয়েছে।