জার্মানে স্মরণকালের ভয়াবহ সংকট কাটিয়ে আবারও চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যাঞ্জেলা মের্কেল। এ নিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে দেশটির প্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বিশ্বের প্রভাবশালী এই নারী।

জার্মানির স্যোসাল ডেমোক্রেটিক পার্টির তরফ থেকে অ্যাঞ্জেলা মের্কেলকে সমর্থন দেওয়ার পরই দেশটিতে সংকটের অবসান ঘটে। এর আগে সরকারবিহীন টানা ছয় মাস দেশটিতে দৈনন্দিন ও সরকারি কাজকর্ম হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটিতে এত সময় সরকারবিহীন ছিল না বলে জানা গেছে।

জানা যায়, সোস্যাল ডেমেক্রোটিক পার্টির তরফ থেকে একটি গ্র্যান্ড কোয়ালিশন সরকার গঠনের প্রস্তাবের পরই দেশটিতে ধীরে ধীরে অচলাবস্থা কাটতে থাকে। কনজারভেটিভ খ্রিস্টান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের সঙ্গে জোট বেঁধে গত নির্বাচনেও সরকার গঠন করে দল দুটো। তবে ধারণা করা হচ্ছিল, এবারের নির্বাচনে সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-ই ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে।

এদিকে ছয় মাস ধরে অচলাবস্থার ফলে দেশটির অর্থনীতি নাজুক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছিল। তবে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো। ম্যাক্রোর বলেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের সংস্কারের জন্য যে চ্যালেঞ্জগুলো দেখা দিবে, তা কিভাবে আপনারা মোকাবেলা করবেন। এরপরই নড়েচড়ে বসে দুল দুটি।

এদিকে এসপিডি‘র দেওয়া ঘোষণার পরই এক টুইট বার্তায় অ্যাঞ্জেলা মের্কেল এসপিডির নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশের জন্য সব ধরণের ত্যাগ স্বীকারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মের্কেল। এদিকে জার্মানিতে প্রধান দুই দলের কোয়ালিশন সরকার গঠনের খবর চাউর হওয়ার পরই ম্যাক্রো এক টুইট বার্তায় উভয় দলকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এদিকে দুই দলের মধ্য জোট হলেও এ মুহূর্তে সংসদের প্রধান বিরোধী দল কট্টোর বামপন্থী দল অলটারনেটিভি অফ দুসল্যান্ড। আর নতুন সরকারের স্থায়ীত্ব কতদিন থাকবে তা দেখার বিষয়। তবে সংসদে মের্কেলকে শান্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে দিবে না এই দল, এমন আলামত ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে।

সূত্র: রয়টার্স