মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ৭ম স্বদেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য মেলা (মেহেরজান) শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মদীনার গভর্নর ড. ফয়সাল বিন সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হাতেম বিন হাসান আল মারজুকী, মেলায় অংশ নেয়া দেশসমূহের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এফএম বোরহান উদ্দিন।

১৮০টি দেশের প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। এর মধ্যে ১২৭টির বেশি দেশ এবার মেলায় তাদের নিজ নিজ দেশের হয়ে অংশ নিচ্ছে। মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন নম্বর ১৪ (প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকেই হাতের ডান পাশে)।

অন্যান্য বছর ৫ দিনব্যাপী হলেও এবার শিক্ষার্থী এবং মেলায় আগত দর্শনার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মেলাটির সময় বাড়িয়ে ১০দিন করা হয়েছে।

মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মেলায় দেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরবেন। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের পরিচালক বাংলাদেশি ছাত্র প্রতিনিধি পিএইচডি গবেষক জাকারিয়া আব্দুল জলিল।

মেলাটি প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ব্যাচেলরদের এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ফ্যামিলিদের জন্য উম্মোক্ত থাকবে। দর্শনার্থীদের ভোটে প্রতিদিন রাতে নির্বাচিত হবে দিনের সেরা প্যাভিলিয়ন।


বাংলাদেশ স্টলের পরিচালক জাকারিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এবার আমরা ভালো ফলাফলের জন্য বেশ আশাবাদী। বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিন দর্শনার্থীদের ভোট দেয়ার সুযোগ আছে আর বাংলাদেশিরা যদি বেশি বেশি এসে এই সুযোগ কাজে
লাগান তাহলে আমরা সেরা প্যাভিলিয়ন নির্বাচিত হতে পারবো।

২০১৫ সালে তৃতীয় এবং ২০১৬ সালে মেলায় বাংলাদেশ যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান লাভের গৌরব অর্জন করেছিলো। এবছর বিজয়ী ১ম, ২য় এবং ৩য় স্থান অর্জনকারীদের পুরষ্কার হিসাবে রয়েছে ব্র্যান্ডনিউ গাড়ি এবং নগদ অর্থ।