খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে হোয়াইট হাউজ এবং মার্কিন কংগ্রেসের হস্তক্ষেপ কামনায় সোমবার হোয়াইট হাউজের সামনে মানববন্ধন করেছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা। একইদিন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনেও মানববন্ধন করা হয়। পরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে স্মারকলিপি দেয়া হয়।

এ কর্মসূচি থেকে খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মামলাসমূহকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ অভিহিত করে সেগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহারের জন্যে শেখ হাসিনা সরকারকে বাধ্য করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহবান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন শরাফত হোসেন বাবু, গিয়াস আহমেদ, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, জিল্লুর রহমান জিল্লু, মোহাম্মদ বশির, আব্বাস উদ্দিন দুলাল, জসিম উদ্দিন ভূইয়া, মিজানুর রহমান ভূইয়া মিল্টন, কাজী আজম, গোলাম ফারুক শাহীন, মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, আজাদ বাকির, মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, পারভেজ সাজ্জাদ, মার্শাল মুরাদ, একে এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, আনোয়ার হোসেন, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা , রুহুল আমিন নাসির, আব্দুস সবুর, এবাদ চৌধুরী, মো. সবুজ, হাফিজ খান সোহায়েল, নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, ফারুক হোসেন মজুমদার, জাফর তালুকদার, আবুল বাসার, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, এস এম ফেরদৌস, ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।

যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, সেক্রেটারি আবু সাইদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানত হোসেন আমান, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আবু তাহের এবং সেক্রেটারি কাওসার আহমেদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষেদের সভাপতি শাহাদাত হোসেন রাজুসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সোচ্চার ছিলেন।
খালেদা জিয়ার সহকারি প্রেস সচিব আশিক ইসলাম, বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা কামাল সাঈদ মোহন, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী প্রমুখ ছিলেন সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর মধ্যে।

প্রসঙ্গত: খালেদা জিয়াকে দণ্ড প্রদানের পর হোয়াইট হাউজের সামনে বিএনপির এটি দ্বিতীয় কর্মসূচি।