চীনা ভাষা মান্দারিনকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দিল পাকিস্তান পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ। এই পদক্ষেপ নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে চাইছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল। খবর পাকিস্তান সংবাদমাধ্যম ডনের।

পাকিস্তান মান্দারিনকে সরকারি ভাষা হিসাবে কার্যকর করলে চীন পাকিস্তান অর্থনৈতিক কোরডির (সিপেক) প্রকল্পে দু’দেশের সংযোগ আরও সহজ হবে। পাকস্তানের সাধারণ মানুষের যোগাযোগ স্থাপনে সুবিধা হবে চীনের। এই উদ্দেশ্যেই চীনের মান্দারিনকে সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দিতে চলেছে পাকিস্তান।

পাক সংবাদমাধ্যম ডনের সেই প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে পাকিস্তানে মান্দারিন ভাষার কোনও অস্তিত্ব নেই। পাঞ্জাবি, পাস্তুসহ একাধিক ভাষার পাকিস্তানে বহুল প্রচলন রয়েছে। পাঞ্জাব প্রদেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষই পাঞ্জাবি ভাষায় কথা বলেন। চীনা ভাষা শিখতে আগ্রহী পাকিস্তানের মানুষ। মান্দারিন শিখলে এই মুহূর্তে প্রভূত চাকরি সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

পাকিস্তান সরকারের এই পদক্ষেপে বিতর্ক শুরু হয়েছে সে দেশে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি জানিয়েছেন, গত ৭০ বছরে মাতৃভাষাকে প্রতারিত করে ইংরেজি, উর্দু, আরবি এবং মান্দারিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অথচ মর্যাদা পায়নি সেদেশে প্রচলিত আমজনতার ভাষাগুলি।