আফগানিস্তানে ১৭ বছর ধরে চলা যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খুঁজতে চাইছে তালেবানরা। সেই ইচ্ছা প্রকাশ করে তালেবানরা দিয়ে বলেছে, তাদের মূল লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ আলোচনাতেই এই সমস্যা সমাধান করার।

সেই চিঠিতে তালেবানরা আরও উল্লেখ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রেরও উচিত, তাদের দখল নীতি থামিয়ে তালেবানদের দাবি মেনে আফগানিস্তানে এমন সরকার স্থাপন করা যা তাদের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেবে। আমেরিকার বোঝা উচিত, কূটনৈতিক পথে এবং আলোচনার মাধ্যমে তালিবানরাও সমাধানে পথ খুঁজতে পারে। কারণ, এখনও আলোচনার সব পথ বন্ধ হয়ে যায়নি। তারা অন্য দেশের ক্ষতি চায় না এবং আফগানিস্তানকেও অন্য দেশের দ্বারা দখল হতে দিতে চায় না। তবে এই উদ্যোগকে যেন কখনওই তাদের দুর্বলতা বলে না ভাবা হয় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছে তালিবানরা।

তাদের সেই চিঠির প্রেক্ষিতে হোয়াইট হাউস এখনই কোনও প্রতিক্রিয়া না জানালেও আফগানিস্তানে কর্তব্যরত ন্যাটোর এক অফিসারের কটাক্ষ, আফগানিস্তানে পরপর সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার আওয়াজ কথার চেয়ে অনেক বেশি জোরাল ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর তালেবান ঘাঁটি লক্ষ্য করে মার্কিন সেনার টানা কার্পেট বম্বিং’র ফলে প্রায় কোনঠাসা হয়ে পড়েছে জঙ্গিরা।

নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণে গত ২৭ জানুয়ারি কাবুলের নামি হোটেলে হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেখানে মারা যান ৩০ জনেরও বেশি মানুষ। তার কয়েকদিন পরই ভিড়ে ঠাসা রাস্তায় গাড়িবোমা বিস্ফোরণে মারা যান শতাধিক মানুষ। দুটি হামলাতেই দায় স্বীকার করেছিল তালেবানরা।