ক্রমেই ঝুলি থেকে বেরচ্ছে বিড়াল। প্রাথমিকভাবে অস্বীকার করলেও মুখ বন্ধ রাখার বিনিময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেলেন পর্নস্টার স্টেফানি। যা গণমাধ্যমে গুঞ্জন রটেছিল। সেই আগুনে ঘি ঢালতে এবার স্টেফানির সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে ইনটাচ উইকলিতে। যাতে তিনি ট্রাম্পের সাথে শারীরিক সম্পর্কের মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে আরও অনেক তথ্য দেন।

স্টেফানি ক্লিফোর্ড জানান, ট্রাম্প শার্ক বা হাঙ্গর খুবই ভয় পান। এতটাই ভয় করেন যে, ট্রাম্প চান পৃথিবীর সব হাঙ্গর মরে যাক। এমনকি ট্রাম্প কখনও শার্ক নিয়ে কাজ করে এমন কোন সংগঠনে দান করেননি।

ট্রাম্পের সাথে প্রথম দেখায় কি ঘটেছিল এমন প্রশ্নে স্টেফানি ক্লিফোর্ড বলেন, আমি আর ট্রাম্প ডিনার করবো তাই আমি পোশাক পরিহিত ছিলাম, কিন্তু ট্রাম্পের রুমে যাওয়ার পর দেখলাম তিনি ট্রাউজার পরে টিভি দেখছেন। প্রথম পরিচয়ে নিজেকে নিয়ে খুবই হামবড়া ভাব দেখান। বিভিন্ন ম্যাগাজিনে তাকে নিয়ে যে কভার স্টোরি করেছে সেগুলোই ঘুরে ফিরে দেখাচ্ছিলেন।

পর্নস্টার স্টেফানি আরও জানান, ট্রাম্প তার মাথার চুল নিয়ে খুবই কুসংস্কারচ্ছন্ন। তার ধারণা, তার চুলের মধ্যেই সব সম্পদের চাবিকাঠি রয়েছে। যদি কোনদিন চুলের স্টাইল পরিবর্তন হয় বা চুল পড়ে যায় তাহলে তার সম্পদও হারিয়ে যাবে।

ক্লিফোর্ড জানান, ট্রাম্পের সাথে থাকাকালে কোন ধরণের জন্মনিরোধক ব্যবহার করিনি, কারণ আমাদের কাছে এসব ছিলো না। তবে মজার বিষয় হলো, আমরা একসাথে সময় কাটানোর পর ট্রাম্প আমাকে ‘হানিবানস’ বলে ডাকতো, এমনকি প্রতি দশদিন পরপর অজ্ঞাত নাম্বার থেকে ট্রাম্প আমাকে ফোন করতো।