জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে ৫ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ করবে বিএনপি। এছাড়া মার্কিন কংগ্রেস স্টেট ডিপার্টমেন্টে লবিংয়ের পর ৭ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে অবস্থান কর্মসূচি করবে দলটি।

বৃহস্পতিবার রাতে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। সেখানে এসব ঘোষণা দেয়া হয়। এতে জাসাস, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, তারেক পরিষদ, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন।

মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সম্রাট। ৫ বছরের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কোন কমিটির অনুমোদন হাই কমান্ড থেকে না আসায় একাধিক খণ্ডে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। তবে সকল বিএনপি নেতাই উদ্বিগ্নচিত্তে হাজির হয়েছিলেন এই সংবাদ সম্মেলনে।

লতিফ সম্রাট অভিযোগ করেন, ১/১১ পরবর্তী সময়ের মতো আবারো লাগাতার আন্দোলন রচনা করা হবে সারাবিশ্বে।

বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটির বোর্ড অব ট্রাস্টির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ থাকবে বলেই আমরা এখনও আশা করছি।

আরেক সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সোলায়মান ভূইয়া ক্ষোভের সাথে বলেন, মামলার রায় কী হবে তার আলামত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার মতলবেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এবং তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন আকতার হোসেন বাদল বলেন, সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি আদায়েও আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে গ্রেফতারকৃত সকলের মুক্তি দাবি করা হয় এবং দমন-পীড়ন বন্ধের আহবান জানানো হয়। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কাজী আজম, এম এ বাতিন, মাহফুজুল মাওলা নান্নু, নিয়াজ মোর্শেদ, পারভেজ সাজ্জাদ, আনোয়ারুল ইসলাম, ফারুক হোসেন মজুমদার, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি আলহাজ্ব বাবরউদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, ছাত্রদল সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম জনি প্রমুখ।