নিউজিল্যান্ডে মৃত্যুপথযাত্রী অসুস্থদের স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের অধিকারকে বৈধতা দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এ গণভোটে স্বেচ্ছামৃত্যুর পক্ষেই বেশি ভোট পড়েছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের প্রাথমিক ফলে মোট ভোটের ৬৫ দশমিক ২ শতাংশই ‘এন্ড অব লাইফ চয়েজ অ্যাক্টের’ পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

এ আইনটি কার্যকর হলে গুরুতর অসুস্থ এবং ৬ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মারা যেতে পারেন এমন ব্যক্তিরা চাইলে স্বেচ্ছামৃত্যু বেঁছে নিতে পারেন। তবে কেবল মৃতপ্রায় ব্যক্তিরাই এই আইনের সহযোগিতা নিতে পারবেন। দুজন চিকিৎসক ওই ব্যক্তিকে পরীক্ষা করবেন এবং রোগীর স্বেচ্ছামৃত্যুর বিষয়ে তাদেরও সম্মতি লাগবে।

শুক্রবার ঘোষিত প্রাথমিক ফলে প্রবাসীসহ আনুমানিক ৪ লাখ ৮০ হাজার ভোটারের রায় যুক্ত হয়নি। এগুলো যুক্ত হলে ভোটের শতকরা হিসেবে সামান্য এদিক ওদিক হবে। তবে বৈধতার পক্ষে থাকা গণরায় পাল্টে যাবে না।

এদিকে গণভোটে ওই আইনের বিপক্ষে যারা ভোট দিয়েছেন তাদের দাবি, আইনটিতে সব পক্ষকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেওয়া হয়নি। এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন এবং বিরোধীদলীয় নেতা জুডিথ কলিন্স দুজনই স্বেচ্ছামৃত্যুকে বৈধতা দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট গণভোটের রায়কে স্বীকৃতি দিতে আইন প্রণয়ন করবে। আগামী বছরের শেষের দিকে আইনটি কার্যকর হতে পারে। চলতি মাসে সাধারণ নির্বাচনের সঙ্গেই স্বেচ্ছামৃত্যুর বৈধতা নির্ধারক এই গণভোটটি হয়।