সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনের পর নিহত যুবক রায়হান আহমদের শরীরে আঘাতের ৯৭ চিহ্ন পাওয়া গেছে। হয়েছিল অভন্তরীণ রক্তক্ষরণও। রায়হানের লাশের পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এ তথ্য উল্লেখ করে ইতিমধ্যে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইকে শনিবার একটি প্রাথমিক প্রতিবেদনও তিনি দিয়েছেন বলে জানান।

ডা. শামসুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় কিছু রাসায়নিক পরীক্ষার পর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রায়হান মারা যাওয়ার ২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে এসব আঘাত করা হয়েছিল। মৃত্যুর সময় তার পাকস্থলী খালি ছিল।

ডা. শামসুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের মূল প্রতিবেদন দিতে সময় লাগবে। প্রাথমিকভাবে আমরা একটি প্রতিবেদন দিয়েছি। এতে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।

সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারীপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমদকে গত শনিবার বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। এতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে পিবিআই।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত বন্দরবাজার ফাঁড়ির বরখাস্তকৃত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন পলাতক রয়েছেন।