সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধু পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র’র এক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে বলে সংবাদে প্রকাশ। আহ্বায়ক ড. রাব্বি আলম এ প্রসঙ্গে প্রবাস বাংলায় এক ভিডিও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন- তাকে আহ্বায়ক নির্বাচিত করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি বঙ্গবন্ধু পরিষদ বাংলাদেশ অনুমোদন দিয়েছে। তিনি প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যে বঙ্গবন্ধু পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের শাখা খুলবেন। ইতিপূর্বে যে সকল বঙ্গবন্ধু পরিষদ সৃষ্টি হয়েছে তা ‘নাল এণ্ড ভয়েড’।

প্রবাস বাংলা প্রতিনিধি সম্প্রতি ড. নূরুন নবীর সাথে টেলিফোনে সাক্ষথাকার গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ কোন সহযোগী এবং কেন্দ্রীয় কমিটির অন্তর্ভূক্ত নয়। এটি একটি স্বতন্ত্র সংগঠন। তার সাথে কেন্দ্রীয় কমিটির কোন সম্পৃক্ততা নেই বা ছিল না। বিগত ১৯৮৫ সালে দেশনেত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধু পরিষদ গঠন করে দিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আমি সভাপতি নির্বাচিত হই। সেই থেকে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ আমেরিকায় নিজস্ব ধারায় কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ক্যালিফোর্নিয়া সহ যে ৫টি অঙ্গরাজ্যে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলেছি তাও সম্পূর্ণ স্বায়ত্মশাসিত সংগঠন। কেন্দ্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। প্রত্যেকেই একে অপরের সাথে সিস্টার অরগানাইজেশন হিসেবে কাজ করছেন। কারও কর্মকাণ্ডের জন্য অন্যের কোন দায়বদ্ধতা নেই। প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সুপ্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য। নিয়ন্ত্রণ করা নয়। আমাদের সংগঠনের সঙ্গে অন্যকোন সংগঠন বা পরিষদের বিরোধ নেই বা সম্পর্ক নাই। আমরা অতীতের মত আমাদের কার্যাবলী চালিয়ে যাব যতক্ষণ পর্যন্ত স্বয়ং নেত্রীর কাছ থেকে নির্দেশ আসে।

কেন্দ্রীয় কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধু পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রে তারা তাদের মত কাজ করবেন সেখানে আমাদের কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

তিনি আরও বলেন, আগামীতে আমাদের বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত সকল কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন।

প্রবাসে সকল বঙ্গবন্ধু প্রেমিকদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য যে, আগামী ২৮-২৯ মার্চ নিউ ইয়র্কে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ কনভেনশন হবে এবং ৪ এপ্রিল লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হবে বলে জানা গেছে।

এখানে আরও বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে, বঙ্গবন্ধু পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র কমিটির আহ্বায়ক ড. রাব্বি আলমের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করাকে কেন্দ্র করে লস এঞ্জেলেসের কতিপয় ব্যক্তি প্রবাস বাংলার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনেন। কিন্তু প্রবাস বাংলা ড. রাব্বি’র সাক্ষাৎকার গ্রহণ কালে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি নূরুন নবীর সাথেও সাক্ষাৎ করার প্রচেষ্টা করে কিন্তু তিনি তার প্রাপ্ত একুশে পদক গ্রহণের জন্য ঢাকায় অবস্থান করছিলেন বিধায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি নিউ ইয়র্ক আসার সাথে সাথে তার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।

সত্যের পক্ষে প্রবাস বাংলা, পক্ষ পাতিত্ব নয়, ঘটনা তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য।