কাজী মশহুরুল হুদা :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর সংসদে অনুমোদন হয়েছিল বিদেশের যে দেশগুলোতে রাষ্ট্রদূত ভবন বা কন্সুলেট অফিস বা বিদেশী মিশন ক্রয় করা যায় সেখানে সরকারী দপ্তরগুলো ক্রয় করা হবে। লস এঞ্জেলেসে যখন এনায়েত হোসেন কন্সুলেট জেনারেল ছিলেন, তখন লস এঞ্জেলেসের কন্সুলেট ভবন ক্রয়ের নির্দেশনা আছে। ইতিমধ্যে নিউ ইয়কের্ ইউএসএর মিশন ও কন্সুলেট অফিস ক্রয় হয়েছে। পরবর্তীতে প্রিয়তোষ সাহা কনসাল জেনারেল থাকাকালীন লস এঞ্জেলেসের কন্সুলেট ভবন ক্রয় করা হয় ফেয়ার ফেকস এভিনিউর উপর।

এনায়েত হোসেনের সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলাম- কন্সাল ভবন ক্রয় হলে সেখানে যেনো জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের প্রতিকৃতি স্থাপনের ব্যাবস্থা থাকে। বর্তমান ভবনে বঙ্গবন্ধু কালচারাল সেন্টার নামক মিলনায়তন ও লাইব্রেরী উদ্ভোধন হয়েছে।

বর্তমান ভবনে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের আদলে প্রতিকৃতি স্থাপনের প্রস্তাব জানাচ্ছি। বর্তমান ভবনের পেছনে পাকিং লট রয়েছে। একটি রয়েছে রাস্তা সংলগ্ন। যার দুই পাশে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের প্রতিরূপ সৃষ্টি করা বা বসান সম্ভব (ছবিতে দাগ দিয়ে স্থান চিহ্নিত করা আছে। নিজস্ব ভবনে এগুলো নির্মাণ হলে সিটি থেকে কোন অনুমোদন প্রয়োজন হবে না। এধরণের প্রতিরূপ নির্মিত হলে কন্সুলেট অফিস ও কমিউনিটির মানুষ প্রতিবছর এখানেই জাতীয় দিবসগুলো উদযাপন করতে পারবে।