নতুন বছরকে আতশবাজির আলোয় রাঙিয়ে তোলার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুরু হয়েছে বর্ষবরণ উৎসব।

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নতুন ইংরেজি বর্ষ ২০২০-কে স্বাগত জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় আতশবাজির ছড়াছড়ি।

আন্তর্জাতিক মান সময়ের তারতম্যের কারণে নতুন বছরকে আগে বরণ করার সুযোগ পাওয়া দেশগুলোর একটি নিউজিল্যান্ড। নতুন বছরের উৎসবে মেতে ওঠার ক্ষেত্রে বড় শহরগুলোর মধ্যে অকল্যান্ডের সুযোগ আসে সবার আগে। ৫০০ কেজির আতশবাজি পুড়িয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাল অকল্যান্ড।

অকল্যান্ডের কেন্দ্রস্থলের এক হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতার স্কাই টাওয়ারে ঝুলন্ত একটি বিশাল ঘড়িতে রাত ১২টা বাজার অপেক্ষায় সেখানে জড়ো হন মানুষ। শুরু হয় কাউন্টডাউন। আর ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে দেখা যায় আতশবাজির বর্ণিল ছটা। নিউজিল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়ায় স্বাগত জানানো হয় নতুন বছরকে।

সিডনি হারবারে আতশবাজি দেখার জন্য জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ। আতশবাজির ঝিলিক আলোয় ফুটে ওঠে অপেরা হাউসের বর্ণিল চিত্র। আর তার পাশে বয়ে চলা সিডিনি হার্বারের গোলাপি পানি দেখে মুগ্ধ হয় সবাই।

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানল সংকটের মধ্যেও থেমে থাকেনি নতুন বছরকে বরণের আনন্দ-উৎসব।

এবার দাবানল সংকটের কারণে সিডনিতে আতশবাজি না করার আহ্বান জানিয়ে পিটিশনে সই করেছিলেন ২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

২০১৯ সালকে বিদায় জানিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টায় একে একে ২০২০ সালকে বরণ করে নেবে ইউরোপ এবং আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলো।