হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দ-ঊৎসবের আমেজে ভিয়েনায় উদযাপিত হয়েছে।

বাঙালি-অষ্ট্রিয়ান হিন্দু কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন এর উদ্দোগে অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার ফ্রবেলগাসে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়।
৪ অক্টোবর বোধনের মাধ্যমে শুরু হয়ে ৮ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ৫ দিনব্যাপী পূজা অনুষ্ঠান শেষ হয়। ৮ অক্টোবর ফ্রবেলগাসে থেকে ‘বিজয়া শুভাযাত্রা’র মাধ্যমে ভিয়েনার ঐতিহ্যবাহী দানিউব নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার ও অষ্ট্রিয়ার বিপুল সংখ্যক ভক্ত পূজামণ্ডপে দেবীর দশমী পূজা, দর্শন, বিসর্জন এবং শান্তিজল গ্রহণে আসেন। দেবী দর্শনে আসা ভক্তদের মূল আকাঙ্খা ছিল, জগতে মানুষে মানুষে শান্তি ও প্রাণীকুলের মঙ্গল কামনা।

বাঙালি-অষ্ট্রিয়ান হিন্দু কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণে ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসেন, ভিয়েনাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর, সর্বইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং অষ্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম, অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির, ভিয়েনাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চ্যান্সারী প্রধান রাহাত বিন জামান, অনারারি কাউন্সেলার মি. বলফগাং উইনিনগার, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগ নেতা আহমেদ ফিরোজ, গাজী মোহাম্মদ, মোহাম্মদ আলী, অষ্ট্রিয়া আওয়ামী যুবলীগের সদস্য সচিব সাঈদ শেখ, অষ্ট্রিয়া আওয়ামী যুবলীগ নেতা ফসিয়ার শেখ, জুয়েল ঢালী, উত্তম বড়ুয়া প্রমুখ।

পরে দর্শনাথী ও ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই পূজা অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, মিসেস সোনারিয়া, অনুপম সাহা, রুহি দাস সাহা, প্রতাব কুমার মন্ডল, রতন সাহা, বিষ্ণু দাস, বিতু মন্ডল, অধীর পুদ্দার, মানিক চৌধুরী, প্রদিপ রায়, তপন দাস ও সুসান্ত সাহা প্রমুখ।

পূজানুষ্ঠানের পুরোহিতের দায়িত্বে ছিলেন, কানাডা প্রবাসী সুকুমার চক্রবর্তী।

উল্লেখ্য ভিয়েনার ফ্রবেলগাসে ছাড়াও, লামগাসে, ঢোনাওষ্টাড এবং ফরগাটেনটাসে অস্থায়ী মণ্ডপে পূজা অর্চনা হয়।