মালয়েশিয়ার প্রাচীন রাজধানী মালাকা অভিবাসন বিভাগের অভিযানে বাংলাদেশীসহ ৯২ জনকে গ্ৰেফতার করেছে ইমিগ্ৰেশন পুলিশ।  মঙ্গলবার মালাক্কা প্রদেশের জাসিন বেসতারি এবং ডুরিয়ান তুংগালের পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে চার দেশের ৯২ জনকে গ্ৰেফতার করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ২০ বাংলাদেশীসহ ইন্দোনেশিয়ার ৬৩, মিয়ানমারের ৮ এবং পাকিস্তানের ১ জন রয়েছেন।
 
মালাক্কা রাজ্য সহকারী ইমিগ্ৰেশন ডিরেক্টর (এনফোর্সমেন্ট চিপ) নার আজমান ইব্রাহিম জানান, আমরা দুটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। অবৈধভাবে এদেশে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আমরা। শহর থেকে জঙ্গল পর্যন্ত অভিযান চালানো হবে। অবৈধ অভিবাসীরা যদি সরকারের দেওয়া দেশ ত্যাগে ব্যর্থ হয় তাদের জন্য জেল-জরিমানা অবধারিত।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনের ১৯৫৯/৬৩ ,৫৫বি(১) ১৯৫৯ ধারায় গ্রেফতার করে অভিবাসন বিভাগ। ইতোমধ্যে বহু বিদেশি অভিবাসী যার যার দেশে ফেরত গেলেও গুরুতর অপরাধে ৯ হাজার ৫৩২ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে অভিবাসন বিভাগ। এসব বন্দিদের সাজা শেষে দেশে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে এদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন তা জানা যায়নি।

এ দিকে মালয়েশিযার ১৪ টি ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে আটক ৯,৫৩২ অবৈধ অভিবাসীদের খাবারের পিছনে প্রতি মাসে ৩.৫ মিলিয়ন রিঙ্গিত ব্যয় করছে বলে জানালেন ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাজাইমি দাউদ। তিনি বলেন, ‘১৪টি ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক এসব অবৈধ অভিবাসীদের এক থেকে দুই মাসের জন্য সেখানে রাখা হয়। সেখান থেকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে তাদের কূটনৈতিক মিশন (দূতাবাস) দ্বারা পরিচয় ও আনুষাঙ্গিক কার্যাদী সম্পন্ন শেষে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।’

তিনি আরও বলেন, বুকিত জলিল, কুয়ালালামপুর, কেলআইএ, সেপাং, লেংগিং, নেগরি সেমবিলান, জুরু ও পুলাউ পেনাং ডিপো থেকে আটকদের মধ্যে কিছু অভিবাসীদের দ্রুত যার যার দেশে ফেরত পাঠানো হবে। 
সূত্র জানায়, বিভিন্ন কারাগার ও ক্যাম্পে যারা আটক আছেন, তাদের বেশিরভাগই অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ কিংবা অবৈধভাবে থাকার কারণে গ্রেফতার হয়েছেন।