Read Time:3 Minute, 14 Second

বাংলার বিজয় বহরের উপর লেখা থীম সংগীত নিয়ে রচয়িতার দাবীদার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাংলার বিজয় বহরের সংগীত সম্পাদক ওস্তাদ কাজী নাজির হাসিব।

তিনি প্রবাস বাংলাকে জানান, থীম সংগীতের প্রথম লাইনটি বাংলার বিজয় বহরের প্রচারে একবার স্লোগান হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন। তখন তিনি কতৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন এই লাইনটা তার পছন্দ হয়েছে, তিনি এই কথার উপর বাংলার বিজয় বহরের থীম সংগীত বানাবেন।

শিল্পী কাজী নাজির হাসিব আরও জানান যে, তিনি এই গানটি এককভাবে লেখেননি। তাকে সহায়তা করেছেন প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী জিনাত রেহানা। পরবর্তীতে তিনি গানের সুরকার ও কন্ঠ দান করেন। অথচ বর্তমানে থীম সংগীতের গীতিকার হিসাবে ইসমাইল হোসেন একক নাম প্রচার করছেন বলে দু:খ প্রকাশ করেছেন এই সংগীতজ্ঞ।

অভিযোগে প্রকাশ, ইসমাইল হোসেন সুরকার কাজী হাসিবের অনুমতি ছাড়া, সুরকারকে পাশকাটিয়ে তার কন্ঠে গাওয়া গানের ধারনকৃত সংগীত শুনিয়ে বাংলাদেশ থেকে আসিফের কন্ঠে থীম সংগীতটি ভিডিও রেকর্ডিং করে এনেছেন। এবিষয়ে, বিজয় বহরের কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করে কোন সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। কারন বাংলার বিজয় বহরের কোন সাংগঠনিক সংবিধান নেই, নেই কোন নির্বাচন কমিশন। একক ব্যক্তি দ্বারা প্রনিত একটি কমিটি আছে। তাদের কেউ এবিষয়ে কিছুই বলতে পারে না।

এখানে উল্লেখযোগ্য যে, স্ট্যান্ডবাজ হিসাবে কমিউনিটিতে ইসমাইল হোসেনের নাম প্রচারিত। তিনি অনলাইনে বিশ্ব বাংলা বিদ্যালয় নামে ওয়েব সাইড খুলে তার অধ্যক্ষ হিসাবে প্রচার করেছেন, কিন্তু ফুড স্ট্যামপ জালিয়াতীর কারনে ফেডারেল ক্রাইম করে সাড়ে তিন বছর হাজতবাস থেকে ফিরে আসার পর বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিলুপ্ত ঘটে। কমিউনিটির সুধী সমাজ ওস্তাদ কাজী হাসিবের পাশে দাডিয়েছে এবং বালার বিজয় বহরের কতৃপক্ষের কাছ থেকে এবিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষনা শুনতে চায়। উল্লেখ, বাফলা’রও একটি থীম সংগীত আছে, যার গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালকের নাম অফিসিয়ালী প্রকাশিত।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
Previous post নিউইয়র্কে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য উৎসব
Next post মূকাভিনয় ও বিশ্বায়ন : কাজী মশহুরুল হুদা
Close