Read Time:3 Minute, 13 Second

শেলী শাহাবুদ্দিন :

আমেরিকার বিভিন্ন শহরে দেখছি বাংলাদেশের সংগঠনগুলো অল্প কিছু সাংগঠনিক কাজ করে। যেমন লস এঞ্জেলেস এ ‘লিটল বাংলাদেশের’ সৃষ্টি। কিন্তু মূলত নেতৃত্ব বা প্রভাব প্রতিপত্তির লড়াই, দেশের রাজনীতি নিয়ে বিদেশে অনর্থক শক্তিক্ষয়, আর কাদা ছোঁড়াছোঁড়ি হয় দৃশ্যমান। অন্য দেশের মানুষ তখন বাঙালিকে কি ভাবে?

এতে কি আমাদের সন্মান বাড়ে না কমে। আমেরিকায় অন্য কোন দেশের মানুষ কি এরকম করে? এমনকি আমাদের মতোই বাংলাভাষী যে আর একটি গোষ্ঠী আছে পশ্চিম বঙ্গের লোকেরা কি এরকম করে?

পৃথিবীর অন্য সব দেশের অভিবাসী মানুষেরা এদেশে সংগঠন করে মূলত দুটি উদ্দেশ্যে।

১. মার্কিন সমাজ ও রাষ্ট্রে নিজেদের জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করা।

২. ভবিষ্যৎ বংশধরদের শেকড়ের সাথে পরিচয় ও বন্ধন রক্ষা করা। বাংলাদেশের সংগঠন গুলো এদুটি বিষয়ে কতটা মনোযোগী এবং কতটা তাদের সাফল্য?

আমাদের এই অদ্ভুত আচরণের কারণ কি?

আমেরিকার নির্বাচনে এই প্রথম আমেরিকায় দুজন মুসলিম নারী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের একজন সোমালিয়া থেকে এসেছেন অভিবাসী হিসেবে যিনি নিজেও ৪ মাস রিফুজি ক্যাম্পে ছিলেন। আর একজন প্যালেসটিন মা-বাবার মেয়ে এদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন।

এ দুটি দেশ কোন কোন দিক থেকে বাংলাদেশ থেকে শ্রেষ্ঠ? বিশেষ মেধার দিক থেকে? আর একটি অদ্ভুত বিষয় বাংলাদেশের অসংখ্য জেলা ও উপজেলা সমিতি। এই সমিতি গুলো প্রচুর মেধা, সম্পদ ও সময় ব্যায় করে। এই সমিতিগুলো তার বিনিময়ে রাষ্ট্র বা সমাজের জন্য যে কিছু অর্জন করে তার কোন প্রমান আছে কি?

হয়তো বড়জোর নিজের এলাকায় দু-চারটি মাদ্রাসা-স্কুল-কলেজ করে, আর আদায় করে ব্যক্তি স্বার্থ। বাঙালি জাতি তার মেধার জন্যই বিখ্যাত। কিন্তু এদেশে কি আমরা এভাবে আমাদের মেধার অপচয় করছি না?

আমি অবশ্য ধরে নিচ্ছি যে দৃশ্যমান সমস্যাগুলোর ভেতরের কারণ আমি পুরোপুরি জানি না।

স্থানীয় সাংবাদিকরা হয়ত এ বিষয়টি নিয়ে একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন তৈরী করতে পারবে এবং আমার এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিয়ে আমার ভুল ধারণা গুলো সংশোধন করতে পারবে।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
Previous post ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ৯ জনের মৃত্যু
Next post এল এ বাংলা টাইমস’র ৫ বছরে পদার্পণে শুভেচ্ছা
Close