ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কাছে পরাজয় স্বীকার করেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজ (পিএমএল-এন)।

প্রধান বিরোধীদল হিসেবে সংসদে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দলটি। পিএমএল-এন প্রাথমিকভাবে ভোটের ফল অস্বীকার করলেও শুক্রবার এর নেতারা পিটিআই নেতা ইমরান খানকেই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত প্রাথমিক ফল জানিয়ে বলেছে, ইমরানের দল ঝুলিতে ১১৫ আসন নিয়ে সরকার গড়ার পথে আছে।

ওদিকে পিএমএল-এন ৬৩ টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তন পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৪৩ আসন নিয়ে উঠে এসেছে তৃতীয় স্থানে।

দেশটির বড় বড় দলগুলো অভিযোগ করেছিল, প্রভাবশালী সেনাবাহিনী আড়াল থেকে কলকাঠি নেড়ে পিটিআইকে ভোটে জিতিয়েছে।

তাদের এ অভিযোগের জবাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেয়া ভাষণে দলের জয়ের দাবি করে ইমরান ভোট কারচুপির অভিযোগ তদন্তের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ওই দিনই পিএমএল-এন ভোট বয়কট করতে পারে বলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল।

কিন্তু শুক্রবার সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে প্রধান বিরোধীদল হিসাবে সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলার ঘোষণা দিয়েছে পিএমএল-এন।

পিএমএল-এন নেতা হামজা শাহবাজ শরিফ বলেন, আমরা সংসদে বিরোধী বেঞ্চে বসতে যাচ্ছি। পিএমএল-এন কঠোর বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে।

নির্বাচনের ফল নিয়ে আপত্তি করলেও গণতন্ত্রের স্বার্থে পিটিআইয়ের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান দেখানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। হামজা বলেন, আমাদের হারাতে নির্বাচনের আগের চেষ্টা খুবই স্পষ্ট। আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্ত্রাসের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।