বাংলাদেশী জাকির (৪০) বর্তমানে লস এঞ্জেলেস ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থান করছেন। প্রবাস বাংলার প্রতিনিধি তার কাছ থেকে জানতে পারেন যে- তিনি ইতিমধ্যে ডিপোর্টেশন কাগজে সই করেছেন। এখন তাকে দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু হবে।

উল্লেখ্য, জাকির ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে জাহাজের কর্মী হিসেবে লংবীচ পোর্টে আসেন এবং সেখান থেকে তিনি স্বেচ্ছায় হারিয়ে যান।

জাহাজ কর্তৃপক্ষ তার নিখোঁজ রিপোর্ট করে। ফলে পরবর্তীতে তিনি যখন রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন, তখন তাকে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য এ্যাপয়েন্টমেন্ট দেয়। ইমিগ্রেশন তাকে কোর্টে চালান করে।

ইতিপূর্বে পরপর দুবার জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে এবং প্রতিবারই কোর্ট না মঞ্জুর করে রায় প্রদান করে। আমেরিকান আইনে কোন জাহাজ কর্মী রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারে না। দুবার জামিনের জন্য আইনজীবীর খরচ বাবদ কমিউনিটির অনেকেই সহায়তার হাত নিয়ে এগিয়ে এসেছিল। তার নিকটতম জন হিসেবে ইলিয়াস মিঞা সহ আব্দুল মান্নান আলাপ প্রসঙ্গে আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, কত ডলার তোলা হয়েছিল এবং কাকে প্রদান করা হয়েছে তার হিসেব নিকাশ দেখান।

প্রতিটি ডকুমেন্ট থেকে স্পষ্টতায় জানাগেল প্রথম আইনজীবীকে চার হাজার পাঁচশত ডলার ব্যায় হয়েছে এবং দ্বিতীয়বারে আইনজীবীকে এক হাজার একশ সত্তর ডলার প্রদান করেছে। কারা কত ডলার সাহায্য হিসেবে দিয়েছেন তাদের নাম এবং কাদেরকে কত প্রদান করেছে তারা প্রমাণের কপি সমূহ আমাদেরকে পাঠিয়েছেন। কারণ অনেকেই হিসাব নিকাশের তথ্য না পাওয়ায় জানার আগ্রহ প্রকাশ করলে সংবাদ পত্রের কাছে স্বচ্ছতা তুলে ধরেন।

যেহেতু কেস কোর্টে নেই এবং যেখানে ডিপোর্টেশন অর্ডার হয়েগেছে, সেক্ষেত্রে বর্তমান সময়ে বিবেচনায় না নিয়ে ডিপোর্ট করে দেবে বরে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

স্বজনরা জানান, কেউ যদি জাকিরের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে চায় তবে তা হবে মানবিক সাহায্য। গত এক বছর কোন আয় না থাকায় এই পরিবারের করুন অবস্থা দেখা দিয়েছে। তিনি সন্তান ও শাশুড়ী (৮০বছর) নিয়ে জাকিরের স্ত্রী অসহায় জীবনযাপন করছেন।

পূর্বের নিউজ দেখতে ক্লিক করুন :

এখনও মুক্তি মেলেনি গ্রেফতারকৃত প্রবাসী জাকিরের