আল আমিন বাবু :

তারেক জিয়ার টাকা খেয়েছে কৌটা আন্দোলনকারীরা কিন্তু সেই টাকা হালাল করতে পারেনি। তারেক জিয়ার পরিকল্পনা ছিল এই কৌটা আন্দোলনকারীদের মাধ্যমের বঙ্গবন্ধুর কন্যার পতন ঘটাবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী জামাত, শিবির, বিএনপি ও যুদ্ধাপরাধীদের নিয়েই এই কৌটা গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়েছিল। তার সাথে মদদ দিয়েছিল সরকার পক্ষের ভেতরের কিছু ষড়যন্ত্রকারী। যারা সুকৌশলে এই জামাত-শিবিরকে ছাত্রলীগের ভেতরে অনুপ্রবেশ করিয়েছিল। মূলতঃ এরা কোটাকে সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল কিন্তু এদের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডেই এদের মুখোশ জনগণের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুকন্যা এদের দাবী মেনে নিয়েই মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে দেন। যা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অবমাননাকর। এতে এই কোটা আন্দোলনকারীরা চরম বিপাকে পড়ে যায়, কারণ কোটা আন্দোলন তাদের কোন ইস্যু ছিল না, তাদের মূল টার্গেট ছিল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, তারেক জিয়ার দুরভিসন্ধি বাস্তবায়ন করা। সুতরাং নুরুমিয়াদের মিশন সফলতার মুখ দেখতে পায় নাই। এতে তারেক জিয়া ভীষণ ক্ষিপ্ত, তবে তিনি বসেও নেই, তিনি জানে কিভাবে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয়! এই মুহূর্তে তারেক জিয়ার কাছে এই কোটা আন্দোলনকারী নুরুমিয়ারা যুদ্ধের মাঠে মৃত ঘোড়া ছাড়া আর কিছুই নয়। সুতরাং এখন তারেক জিয়ার গেম কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা। তাই আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটল তা সম্পূর্ণই পূর্বপরিকল্পিত, মিডিয়াকে দাওয়াত করে নিয়ে এসে তাদের সামনেই কৌটা দিয়ে কৌটা ভাঙ্গা হলো। এই সময়ে আমাদেরকে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের গণজাগরণের মত একত্রিত হয়ে এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে- কারণ এরা মুখে যাই বলুক না কেন এদের অন্তরে পাকিস্তান। কি আশ্চর্য! যে আন্দোলনের দাবী মানা হয়ে গেছে, তাকে আবার টেনে এনে কিসের আন্দোলন? মানুষ কি এতই বোকা! তারেক জিয়াদের পরিকল্পনা, প্রয়োজন লাশ। সেই লাশ যদি মৃত ঘোড়াদের হয় তাহলে রথ দেখা কলা বেচা দুটোই হলো। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের স্বাধীনতার পক্ষের চৌকস গোয়েন্দা সংস্থা এবং জনগণের সামনে এরা টিকতে পারবে না। তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, যারা এই নুরুমিয়াদের ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছিল তাদেরকে খুঁজে বের করুন, তারাই ঘরের ভেতর মূল ষড়যন্ত্রকারী।

লস এঞ্জেলেস