মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারান্তরীণ করে রাখা, জামিনযোগ্য মামলায় আদালতের দেয়া জামিন এ বাধা দিয়ে এই রমজান মাসে ৭০ উর্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নির্জন পরিত্যক্ত কারাগারে আটক রাখা ও কারাগারে দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়া স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেও যথাযথ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদে ঈদের আগেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে আমেরিকা প্রবাসীরা সোচ্চার হয়েছে। তারা বলেন, আমরা সকলে যখন আমাদের ধর্মীয় সবচেয়ে বড় খুশির ঈদ উদযাপন করছি, তখন বিনা কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা মামলায় কারাগারে চিকিৎসা বঞ্চিত অসুস্থ ও যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন। তাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীগণ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবীতে হোয়াইট হাউস বরাবর পিটিশন দাখিল করছে সকলের স্বাক্ষর ও সহযোগিতা নিয়ে। ১৩ বছরের উপরে যে কেউ বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে ইমেইল এড্রেস দিয়ে এই স্বাক্ষর দিতে পারবেন। স্বাক্ষরকারীদের পরিচয় ফেডারেল সরকার পুরোপুরি গোপন রাখবে।
গত ২৫শে মার্চ দুপুরে ক্যালিফোর্নিয়া বি এন পি নেতৃবৃন্দ ইউ এস ফরেন এফেয়ার্স কমিটির সিনিয়র মেম্বার কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শারমেনের সাথে দেখা করে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলায় সাজা প্রদান করে কারান্তরীণ করা, জামিন প্রদানে বাধা, আসন্ন নির্বাচন থেকে বি এন পি কে দূরে রেখে ৫ই জানুয়ারীর ন্যায় আরেকটি প্রহসনমূলক নির্বাচনের সম্ভাবনা, দেশের গণতন্ত্রের করুন দশা, বিচার বিভাগ ও সংবাদ পত্র-টিভি মিডিয়ার স্বাধীনতা হরণ, ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেনকে পুলিশী নির্যাতনে কারাগারে হত্যা, সেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে গান পয়েন্টে তুলে নিয়ে গ্রেফতার, ইলিয়াস আলী গুম ইত্যাদি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। এ সময় তারা বক্তব্যের সমর্থনে বিভিন্ন সংবাদের পেপার কাটিংসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি প্রেরিত ডকুমেন্ট সমূহ তার হাতে তুলে দেন। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক সাজা দিয়ে আসন্ন নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পায়তারা, দেশের অগণতান্ত্রিক ও অমানবিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। এ সময় কংগ্রেসম্যান বাংলাদেশের পরিস্থিতি ও বেগম খালেদা জিয়ার মিথ্যা মামলায় উদ্যেগ প্রকাশ করেন। তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সম্পর্কে জানতে চান। প্রতিনিধিরা তাকে নির্বাচনের পূর্বে দেশের সার্বিক পরিবেশ অবলোকন করতে টিম পাঠাতে অনুরোধ করেন। ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের পুলিশ কাস্টডিতে নির্যাতনে মৃত্যুর বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়। উল্লেখ্য গত ৯ই ফেব্রুয়ারী বি এন পি নেতৃবৃন্দ কংগ্রেসম্যান এড রয়েস, কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শারম্যান ও কংগ্রেসওম্যান জুড়ি চু এর অফিসে গিয়ে ম্যাডামের মিথ্যা মামলার পেপার কাটিং দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবার আবেদন জানিয়েছিলেন। এর পর থেকে ক্যালিফোর্নিয়া বি এন পি নেতৃবৃন্দ কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শারম্যান এর অফিসে যোগাযোগ করে সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরছেন। ক্যালিফোর্নিয়া বি এন পি এর সিনিয়র সহসভাপতি নিয়াজ মুহাইমেন, সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমান, যুগ্ম সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শাহীন  সহসভাপতি জুনেল আহমেদ, আহসান হাফিজ রুমি, আবুল বাসার, প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দেশে-বিদেশে সকলকে এই উদোগ্যে ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বি এন পি ও ক্যালিফোর্নিয়া বি এন পি নেতৃবৃন্দ। 

– বিজ্ঞপ্তি

পিটিশনটি তুলে ধরা হলো :

Condemn Bangladesh for extrajudicial killing, enforced disappearance and killing in custody # free Khaleda & democracy.

Created by N.M. on June 11, 2018

The Bangladesh Government is responsible for extrajudicial killings, enforced disappearances, arbitrary arrest & detention, torture & killing in custody. Law enforcement detains opposition in secret places for long periods before producing some in court while others were killed in staged gunfights. There are no rights to freedom of speech and assembly. They apply repressive laws and press arbitrary criminal charges against the opposition. The President has pardoned top terrorists. Chief Justice Sinha was forced to leave Bangladesh and resign. Khaleda Zia is in jail for false allegations and denied bail. She was even denied treatment after a stroke. They want to stage another election without opposition. We urge for a congressional hearing.