স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ আর বাংলাদেশ দূতাবাস মাদ্রিদেই অবস্থিত। বার্সেলোনা রাজধানী না হলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর। বৃহৎ একটি বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং বাংলাদেশির আধিপত্য রয়েছে এই শহরে। বার্সেলোনা এবং মাদ্রিদের দূরত্ব প্রায় ৬০০ কিলোমিটার। এই দূরত্ব পাড়ি দিতে প্রায় একদিন সময় লেগে যায় সাথে লাগে দুইশত ইউরোর মত। মূলত এই সময় এবং অর্থ বাঁচানোর জন্যই এই কনস্যুলার সেবা ২০১৫ সালে চালু করে স্পেনের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার।

২৫ ও ২৬ মে দূতাবাস টিম সেবা প্রদান করে বার্সেলোনায়। প্রথম দিন কাইয়্যা উর্খিল ১৪৫, বার্সেলোনায় সকাল ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সেবা প্রদান করে এবং দ্বিতীয় দিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই সেবা প্রদান করে।

প্রথম দিনে সিরিয়াল গ্রহণকারীদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের এনরোলমেন্ট, ৬ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করে যাদের ডিজিটাল পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষ্যে এক মাস আছে তাদের পাসপোর্ট রিনিউ এর আবেদন জমা নেয় এবং ওয়েজ আর্নাজ কল্যাণ বোর্ডের সদস্য পদের আবেদন গ্রহণ করে।

দ্বিতীয় দিনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের এনরোলমেন্ট, ৬ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করে যাদের ডিজিটাল পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষ্যে ১ মাস আছে তাদের পাসপোর্ট রিনিউ এর আবেদন জমা, পাসপোর্ট বিতরণ, ট্রাভেল পারমিট প্রদান, কাগজপত্র সত্যায়ন প্রভৃতি। ওয়েজ আর্নাজ কল্যাণ বোর্ডের সদস্য পদের আবেদন গ্রহণ করে।

দুইদিনে ৬৫টি পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করা হয়, ১৪৫টি পাসপোর্ট বিতরণ করেন, ২০টি বাংলাদেশি ভিসার আবেদন গ্রহণ করে, দুপুর ১টায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সত্যায়িত করে দূতাবাস সেবার সমাপ্তি করে রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকারের দূতাবাস টিম। ওই টিমে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের প্রথম শ্রম সচিব শরিফুল ইসলাম, অফিস সহকারী সাইফুল, রেজা এবং নাসির।