আম্পায়ারদের তৈরি করা বিতর্কের জের ধরে দলকে মাঠ থেকে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ম্যানেজার খালেদ মাহমুদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত তা না হলেও সাকিব ছিলেন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে। তবে নিষেধাজ্ঞা নয়, তাকে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা গুনতে হচ্ছে। ঘটনার শুরু বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলের পর। ইসুরু উদানার করা প্রথম বলটা যায় মোস্তাফিজের মাথার উপর দিয়ে। দ্বিতীয় বলও তাই।

ফলে লেগ আম্পায়ার নো বলের সিগনাল দেন। কিন্তু মূল আম্পায়ার তা বাতিল করেন। আম্পায়ারদের এই বিভ্রান্তি মানতে পারেননি সাকিব। নিয়ম অনুসারে দ্বিতীয় বলটি নো হওয়ার কথা। আবার আম্পায়াররা চাইলে সেটা না দিলেও পারেন। কিন্তু এক আম্পায়ার নো ডাকলেন, আরেক আম্পায়ার তা খারিজ করলেন কিভাবে! সাকিবের মেজাজ হারানো তাই স্বাভাবিকই ছিলো। যদিও দলকে মাঠ থেকে বের হওয়ার ইঙ্গিত দেয়াটা ঠিক হয়নি বলে সাকিব ম্যাচ শেষে নিজেই স্বীকার করেছেন। ওই ঘটনার পর নিশ্চিত শাস্তির মুখেই পড়তে যাচ্ছিলেন সাকিব। সেটা পড়লেনও। তবে নিষেধাজ্ঞা নয়। ফাইনাল খেলা নিয়ে তাই কোনো অনিশ্চয়তা নেই এ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের। ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা গোনার পাশাপাশি সাকিবকে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছেন ম্যাচ রেফারি। একই শাস্তি পেয়েছেন নুরুল হাসান সোহানও। তিনি অবশ্য একাদশে ছিলেন না।